عُرُوج · উত্থান · বাংলাদেশ عُرُوج

পুরুষত্ব একটা সিদ্ধান্ত, এমনিতেই পাওয়া যায় না।

তিনটা সক্ষমতা, তাদের জন্য যারা আর শোষিত হতে রাজি না। কর্তৃত্ব নিজের হাতে নাও। সক্ষমতা গড়ো। খাঁচা থেকে বেরিয়ে এসো।

এক মিনিট। ব্রোশিওর না, সরাসরি ইয়ের কথা।

কেন এটা বানানো হলো। কার জন্য — আর কার জন্য না। শেষে কী বদলাবে। জয়েন করতে কী করতে হবে।

খাঁচা

তুমি এটার নাম জানো। শুধু কখনো জোরে বলোনি।

শিক্ষা। ঋণ। ডিগ্রি। সময়। চাকরি। নির্ভরতা। বেতন। শোষণ। আবার। দেখতে সুযোগের মতো লাগে। আসলে এটা একটা বন্ধ চক্র। তুমি তোমার সময় বিক্রি করছো এমন টাকার বিনিময়ে যেটা নিয়ন্ত্রণ করে অন্য কেউ। তুমি কখনো সম্পদ গড়ো না। তুমি কখনো কিছুর মালিক হও না। তুমি কখনো কিছুর নেতৃত্ব দাও না। এটা দারিদ্র্য না। দারিদ্র্য পরিকল্পিত না। এটা পরিকল্পিত।

  • প্রতিটা ধাপে অনুমতি লাগে: ঢুকতে, যোগ্য হতে, চাকরি পেতে, প্রমোশন পেতে।
  • এটা বানানোই হয়েছে শোষণের জন্য, সম্পদ গড়ার জন্য না: মালিক তোমার শ্রম শোষণ করে, ব্যাংক সুদ শোষণ করে, সিস্টেম তোমার এজেন্সি শোষণ করে।
  • এটা তোমাকে বিশ্বাস করায় যে এটাই একমাত্র পথ — যে সাধারণ পুরুষরা এভাবেই বাঁচে, অন্য কিছু বেপরোয়ামি।
  • এটা তোমার পুরুষত্ব কেড়ে নেয়। একজন পুরুষ নিজের জীবন নিজে চালায়। এই খাঁচা তার জীবন চালায় তার হয়ে।

উরুজ মানুষের সাথে লড়ে না। উরুজ এর সাথে লড়ে।

কর্তৃত্ব দাবি করো। সক্ষমতা গড়ো। খাঁচা থেকে বেরিয়ে এসো।

দাবি

তুমি অনুমতির অপেক্ষা করো না। তুমি সিদ্ধান্ত নাও যে এটা তোমার কাছে আগে থেকেই আছে।

নির্মাণ

সক্ষমতা ছাড়া কর্তৃত্ব একটা স্লোগান। তিনটা সক্ষমতা সেটাকে বাস্তব করে।

বহির্গমন

কোনো একদিন না। ডিগ্রির পরে না, চাকরির পরে না, প্রমোশনের পরে না। আজ।

আমরা শুধু পুরুষদের ট্রেইন করছি না। আমরা এমন একটা ইকোসিস্টেম গড়ছি যেখানে ব্যবসা সৎ — কোনো সুদ নেই, কোনো ম্যানিপুলেশন নেই, কোনো শর্টকাট নেই। যেখানে পুরুষরা উঠে দাঁড়ায় সবরের ওপর, হাইপের ওপর না। যেখানে উসরা কোনো মেইলিং লিস্ট না — এটা একটা স্থায়ী, পারস্পরিক সহায়তার ভ্রাতৃত্ব, যেখানে পুরুষরা একে অপরের উত্থানে বিনিয়োগ করে। তুমি কোনো কোর্সে ভর্তি হচ্ছো না। তুমি এমন একটা লড়াইয়ে যোগ দিচ্ছো যেটা আগে থেকেই চলছে।

তিনটা সক্ষমতা। চারটা সমান স্তম্ভ না। তিনটা — আর সেগুলো তোমাকে যা এনে দেয়।

نِضَالনম্বরবিহীন

নিদাল

কেউ একা বের হয় না। নিদাল কোনো পাঠ না। এটা প্রথম তিনটা তোমাকে যা এনে দেয়।

কাদের জন্য এটা

০১ — সেই গ্র্যাজুয়েট, কাগজে-কলমে যোগ্য

তোমার ডিগ্রি আছে। এটা প্রমাণ করে তুমি শিখতে পারো। এটা তোমাকে শেখায়নি কীভাবে একটা রুম ধরে রাখতে হয়, একটা ডিল ক্লোজ করতে হয়, বা পৃথিবী যে গতিতে চলে সেই গতিতে চলতে হয়। তুমি সক্ষম। তোমাকে কখনো সেটা প্রমাণ করতে দেওয়া হয়নি।

০২ — সেই তরুণ পেশাজীবী, নিজের মধ্যে আরও কিছুর সম্ভাবনা টের পায়

এক থেকে তিন বছর হয়ে গেছে। তুমি দেখেছো তোমার চেয়ে বেশি স্মার্ট না এমন পুরুষরা তোমার চেয়ে দ্রুত এগোচ্ছে, বেশি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তুমি জানতে চাও কীভাবে। এটাই কীভাবে। এটা প্রতিভা না। এটা তিনটা সক্ষমতা।

০৩ — সেই মানুষ, যে আগে অনেক মোটিভেশন সহ্য করেছে

তুমি সেমিনারে গেছো। তুমি বইগুলো পড়েছো। তুমি হাই পেয়েছো। তারপর সোমবার এলো। এটা সেটা না। এটা সিস্টেম, মোটিভেশন না। প্র্যাকটিস, থিওরি না। আর এটা কঠিন।

কেউ একা বের হয় না।

উসরা (أُسْرَة)

এটা কোনো প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের লিস্ট না। এটা একটা ভ্রাতৃত্ব, আর কোহোর্ট শেষ হলে এটা বন্ধ হয় না। সাপ্তাহিক চেক-ইন। ইয়ের মাসিক মাস্টারক্লাস। একটা শুক্রবারের জব বোর্ড, যেখানে পুরুষরা পুরুষদের সাহায্য করে। তোমার পোর্টফোলিও অ্যাপ্রুভ হওয়ার দিনই অ্যাক্সেস খুলে যায়। এটার মেয়াদ ফুরায় না।

আমল (عَمَل)

আমল একটা দরজা, কোনো গ্যারান্টি না। যারা ব্রোঞ্জ বা তার বেশি স্কোরে পোর্টফোলিও শেষ করে, রশিদ তাদের সরাসরি বিডকনের হায়ারিং পার্টনারদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। তোমাকে ইন্টারভিউ দিতে হবে। তোমাকে নিজে জায়গাটা অর্জন করতে হবে। কেউ তোমাকে হাতে তুলে কিছু দেয় না।

উরুজ নতুন। কিন্তু এর পেছনের মানুষটা নতুন না। এখানকার প্রতিটা ফ্রেমওয়ার্ক এসেছে বাস্তব কাজ থেকে — বাস্তব সমস্যা, বাস্তব সমাধান, বাস্তব ফলাফল। প্রথম কোহোর্টের গল্পগুলো আসবে সেপ্টেম্বরে। ততক্ষণ, তুমি কিনছো সিস্টেমের শক্তির ওপর ভরসা করে, সোশ্যাল প্রুফের ওপর না। এটা হয় বিশ্বাস করার একটা কারণ, নাহয় অপেক্ষা করার একটা কারণ। দুটোই ন্যায্য।

৳1,200। চল্লিশটা সিট। তারপর দাম বদলে যাবে।

উরুজ সস্তা বলে না — কারণ এটা প্রথম পাবলিক কোহোর্ট, আর এতে যারা আছে তারা প্রমাণ গড়তে সাহায্য করছে। এই চল্লিশটা সিট ভরে গেলে, পরের কোহোর্ট শুরু হবে ৳2,100 দামে।

কোহোর্ট ১ এখনই খোলা

শর্তগুলো দেখো

এটা কি শুধু পুরুষদের জন্য? আমার কি ডিগ্রি লাগবে? এটা কি ইসলামিক শিক্ষা? আমার কানেকশন না থাকলে কী হবে? চারটা সৎ উত্তর, কোনো রাখঢাক ছাড়া।

পুরো কারিকুলাম দেখো

শোষিত হওয়া বন্ধ করো।

তুমি এতদূর পড়ে এসেছো। এটা কাকতালীয় না — এর মধ্যে কিছু একটা তোমার জন্য সত্যি। বারো বছর, চল্লিশের বেশি পুরুষ, তিনটা সক্ষমতা। বাকিটা তোমার গড়ার পালা।

লড়াইয়ে নামো